আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি
মানুষ যেভাবে চিন্তাভাবনা করে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
অধিকাংশ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার গবেষক ও লেখকের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো: “কম্পিউটার বিজ্ঞানের এই শাখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন এজেন্ট কীভাবে তৈরি করা যায় তা সম্পর্কে কাজ করে। এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন এজেন্ট বলতে এমন একটি সিস্টেম বুঝায় যা চারপাশ প্রত্যক্ষ করে সর্বোচ্চ সাফল্য পাওয়ার জন্য যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা দরকার, সে অনুসারে তাহার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।”
"The study and design of intelligent agents, where an intelligent agent is a system that perceives its environment and takes actions that maximize its changes of success."
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো একই সময়ে বহুবিধ কাজ অতিদ্রুততার সাথে সম্পন্ন করতে পারে। কিন্তু মানুষ একই সময়ে বিভিন্ন বিষয় চিন্তা করতে পারে না। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে মানব জাতির বুদ্ধিমত্তার মত কম্পিউটার আচরণ করতে পারে। কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মত চিন্তা করবে, কীভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে বিচক্ষণতার পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, কীভাবে সফলতার সহিত খেলাখুলা করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্যই সিস্টেম বা সুণিপুন ব্যবস্থা, নিউরাল নেটওয়ার্ক, স্বপ্নময় সত্যি বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, লজিক ইত্যাদি ক্ষেত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর বিশেষ ব্যবহার পরিলক্ষিত হচ্ছে।
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার করা হয়। যেমন: LISP, CLISP, PROGLOG, C/C++, JAVA ইত্যাদি। তবে উদ্দেশ্যে ও কার্যপ্রণালীর ভিত্তিতে এই ধরনের প্রোগ্রামকে কয়েকটি বিশেষ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১। সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান (Deduction and problem solving)
২। জ্ঞানের উপস্থাপনা (Knowledge representation)
৩। পরিকল্পনা (Planning)
৪। যন্ত্রের শিক্ষা (Machine Learning)
৫। স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ (Speech and pattern recognition) ইত্যাদি।

0মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Comment below if you have any questions