টেক্সট ফরমেটিং কি
কোনো ডকুমেন্টের তথ্যকে প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন আঙ্গিকে সাজানো-গোছানো বা বিন্যস্ত করাকে বলা হয় টেক্সট ফরমেটিং। যেমন: লেখা ছোট বড় করা, ডানে বামে নেয়া, জাস্টিফিকেশন করা, কালার করা, মার্জিন ঠিক করা ইত্যাদি কার্যক্রমগুলোই হলো টেক্সট ফরমেটিং।
ফন্ট পরিবর্তন করা, ফন্ট কালার, সাইজ ও স্টাইল পরিবর্তন করা
লেখালেখির জন্য যে বিভিন্ন ডিজাইনের হরফ ব্যবহার করা হয় তাই হলো ফন্ট। ফন্ট স্টাইল নির্বাচন, ফন্ট সাইজ ও রং নির্ধারণ করা টেক্সট ফরম্যাটিং এর একটি অংশ। এমএস ওয়ার্ডে ডিফল্ট ফন্ট হিসেবে Calibri অথবা Times New Roman দেয়া থাকতে পারে। ফন্ট সাইজ ১১ বা ১২ দেয়া থাকতে পারে। ওয়ার্ড প্রসেসিং-এ কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ফন্ট ব্যবহার করার সুযোগ রয়েছে। ইংরেজি টাইপের ক্ষেত্রে যেকোন ইংরেজি ফন্ট ব্যবহার করা গেলেও বাংলা টাইপের ক্ষেত্রে সফটওয়ারের সাথে সাথে ফনেটর ধরনও পরিবর্তন করতে হয়। সাধারণত বিজয় সফটওয়ারে কাজের বেলায় কিছু অতি পরিচিত ফন্ট হলো সুতন্বী এমজে, রিংকি এমজে, কর্ণফুলী ইত্যাদি।
টেক্সট ফরম্যাটিং-এর প্রথম কাজ হলো পছন্দ মতো ফন্ট নির্বাচন করা। ফন্ট নির্বাচনের কাজটি করতে হয় হোম মেনুর ফন্ট গ্রুপের ফনেটর নামের ড্রপ-ডাউন বক্স থেকে (নিচের ছবিতে প্রদর্শিত)। এখানে অসংখ্য ফনেটর মধ্য থেকে পছন্দ মতো একটি ফন্ট বেছে নিতে হবে। পছন্দের ফন্টটিতে ক্লিক করে লিখলে তা সেই ফন্টের মতো হবে।
ফন্ট সাইজ নির্ধারণ করার জন্য ফন্ট সাইজ অপশনটিতে (নিচের চিত্রে প্রদর্শিত) ক্লিক করে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট সাইজের ফন্ট নির্বাচন করা যায়।
ফন্ট কালার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ অনেক সময় কাজের ধরন অনুযায়ী ফন্টের কালারও নির্বাচন করতে হয়। নিচের চিত্রে দেখানো নিয়মে পছন্দের কালার নির্বাচন করা যায়।
কোন লেখা বোল্ড, ইটালিক বা আন্ডারলাইন করতে হলে ফন্ট নির্বাচন অংশের নিচে যে অপশনগুলো রয়েছে তা ব্যবহার করে কাজটি করা যাবে।
তবে টেক্সট লেখার পর টেক্সট ফরম্যাটিং করতে হলে অবশ্যই লেখাটি সিলেক্ট করে নিতে হবে।

0মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Comment below if you have any questions