চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা
অতি উচ্চস্তরের ভাষা বা চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাঃ
মানুষের বোধগম্যতার মাত্রা বাড়াতে গিয়ে এবং প্রোগ্রামিংকে আরও সহজ করার উদ্দেশ্যে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার সৃষ্টি। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাগুলোই অতি উচ্চ স্তরের ভাষা হিসেবে সুপরিচিত। এ ধরণের ভাষা মানুষের ভাষার খুব কাছাকাছি। 4GL (4th Generation Language) বা অতি উচ্চ সত্মরের ভাষা তৃতীয় প্রজন্মের ভাষার চেয়ে আরও বেশি সুবিধাজনক। পূর্বের প্রজন্মের ভাষাগুলোতে ডেটা প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা বিস্তারিতভাবে লিখতে হয়। কিন্তু 4GL-এ তা বিস্তারিতভাবে দিতে হয় না। ফলে এ ভাষাকে নন-প্রসিডিউরাল ল্যাঙ্গুয়েজও বলা হয়। রিপোর্ট, পর্দায় ফলাফলের গঠন, ডেটা রেকর্ড, ইনপুট ডেটা প্রভৃতি নির্দিষ্টকরণে সরল কোয়ারি নির্দেশ ব্যবহারের ক্ষমতা চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার বৈশিষ্ট্য। এ ভাষায় প্রোগ্রাম লেখার পর সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম কম্পাইল করার প্রয়োজন হয় না। কমান্ড লেখার সাথে সাথেই তা কম্পাইল হয়ে যায়। SQL, Visual Basic, Oracle ইত্যাদি হচ্ছে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার উদাহরণ। ডেটাবেজ প্রোগ্রামের জন্য এর ব্যবহার বাড়ছে এবং জনপ্রিয় হচ্ছে।
চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার কিছু সুবিধা
১. প্রোগ্রাম উন্নয়ন সহজ করার জন্য অনেক সুবিধা থাকে।
২. যে কোনো ধরণের মেশিনে চলতে সক্ষম।
৩. রক্ষণাবেক্ষণ সহজতর, ভুলের পরিমাণ কম।
৪. সহজে প্রোগ্রাম পরিবর্তন করে উন্নয়ন করা যায়।
৫. অনেকটা মানুষের ভাষার মতই।
চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার কিছু অসুবিধা
১. অন্য প্রজন্মের ভাষার তুলনায় কম দক্ষ।
২. ৩য় প্রজন্মের তুলনায় দক্ষতাও কম।
৩. এ ভাষায় প্রোগ্রাম নির্বাহ করতে সময় বেশি লাগে।

0মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Comment below if you have any questions