পারিভাষিক শব্দ
‘পরিভাষা’ শব্দটি আসলে ইংরেজি 'definition' শব্দের বাংলা অনুবাদ। এর কাছাকাছি আরেকটি শব্দ আমরা জানি ‘technical term’-যার বাংলা অনুবাদ হচ্ছে ‘পারিভাষিক শব্দ’। আজকাল ‘পরিভাষা’ ও ‘পরিভাষিক শব্দ- প্রায় একই অর্থ বুঝিয়ে থাকে; যদিও ‘পরিভাষা’ এই বিশেষ্যবাচক শব্দটির বিশেষণ হচ্ছে ‘পারিভাষিক’। পরিভাষা শব্দটি এদেশে ইংরেজ আসার অনেক আগে থেকেই প্রচলিত ছিল সংজ্ঞাবাচক বিশেষ অর্থে। অর্থান্তর নেই এমন বিশেষ অর্থবোধক সংজ্ঞার নাম পরিভাষা। বস্তুত পরিভাষা বলতে বোঝায় কোনো বিষয়ের আলোচনায় ব্যবহৃত এমন কিছু শব্দ যা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষ বিশেষ ধারণাকে যথার্থভাবে, নির্ভুলভাবে, দ্ব্যর্থহীনভাবে ও সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করে। প--তেরা একমত হয়ে একটি বিশেষ ধারণার (concept) জন্য একটি বিশেষ শব্দকে বেঁধে দেন যে শব্দটি সংশয়হীনভাবে কেবল ওই বেঁধে দেওয়া অর্থকেই বোঝাবে অন্য কোনো অর্থ বোঝাবে না।
জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সুনির্দিষ্ট ও অদ্ব্যর্থ তাৎপর্য জ্ঞাপনকারী শব্দই হচ্ছে ওই বিশেষ জ্ঞানের পরিভাষা।
পরিভাষা হচ্ছে বিশেষজ্ঞদের কাছে হাতিয়ার স্বরূপ, যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ঠিক কথাকে ঠিকমতো বোঝানো; ইংরেজিতে যাকে বলে hitting the nail on the head সাধারণ শব্দের সঙ্গে পারিভাষিক শব্দের পার্থক্য এখানেই। একটি ‘পরিভাষা’ বা পারিভাষিক শব্দ একাধিক অর্থে যেমন ব্যবহৃত হতে পারবে না, তেমনি একাধিক ভাব নির্দেশের জন্য একই পরিভাষা ব্যবহৃত হতে পারবে না। যেমন ‘সমাস’ বললে পরস্পর অর্থসঙ্গতি বিশিষ্ট একাধিক পদের এক পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া ছাড়া আর কিছুই বোঝায় না। কিংবা ‘কারক’ বললে বাক্যে ব্যবহৃত ক্রিয়ার সঙ্গে অন্য শব্দের কোনো না কোনো প্রকাশের সম্বন্ধ ছাড়া আর কিছুই বোঝায় না। তাই ‘সমাস’ বা ‘কারক’ বাংলা ব্যাকরণ শাস্ত্রের দুটি পারিভাষিক শব্দ। তেমনি দর্শন, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, অর্থনীতি, বাণিজ্য প্রভৃতি জ্ঞান-বিজ্ঞানের সকল শাখাতেই ব্যবহৃত হয় অসংখ্য পরিভাষা বা পারিভাষিক শব্দ।
কীভাবে চিনবেন পারিভাষিক শব্দ
আজকাল আমরা জেনেই হোক আর না জেনেই হোক পদে পদে পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এসব পারিভাষিক শব্দ আপনি চিনবেন কী করে? একটু আগেই আমরা বলেছি জ্ঞান বিজ্ঞানের প্রত্যেক শাখাতেই রয়েছে কিছু নিজস্ব পারিভাষিক শব্দ। যে শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ কথাবার্তায় তেমন প্রয়োজন পড়ে না কিন্তু ওই বিশেষ জ্ঞানের আলোচনায় শব্দটি যদি অনিবার্যভাবে প্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে তাহলেই বুঝতে হবে শব্দটি একটি পারিভাষিক শব্দ। মনে করুন আপনি সমাস সম্পর্কে আলোচনা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনি ‘পূর্বপদ’, ‘পরপদ’, ‘সমস্যমান পদ’, ‘ব্যাসবাক্য’ এসব শব্দের সাহায্য ছাড়া আপনি আলোচনাই করতে পারবেন না। সুতরাং আপনি ধরে নেবেন ওই শব্দগুলো পারিভাষিক শব্দ।
সব সময় পারিভাষিক শব্দ আবার এতো সহজে চেনা যায় না। কারণ পারিভাষিক শব্দটির বহুল ব্যবহার ও জনপ্রিয়তা। উকিল, মোক্তার, আবাসিক, অনাবাসিক এগুলো যে পারিভাষিক শব্দ তা আজ আর আমাদের মনেই হয় না। একারণে পারিভাষিক শব্দ চেনার জন্য আমাদের প্রয়োজন খানিকটা অতিরিক্ত সতর্কতা। যখনই কোনো পারিভাষিক শব্দের সঙ্গে পরিচিত হবেন, শব্দটি একাধিকবার আবৃত্তি করে মনে গেঁথে নিন, প্রয়োজনে একটি নোট খাতায় আপনার পরিচিত পারিভাষিক শব্দগুলোর তালিকা তৈরি করুন।
পরিভাষা কেন প্রয়োজন
এক-একটি পরিভাষার সঙ্গে বিশেষ ধরনের জ্ঞান-বিজ্ঞানের স্মৃতি ধারণা-বোধ মিশে থাকে। সে সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের উপলব্ধি ও চেতনা। নাইট্টোজেন চক্র, শীতনিদ্রা, অভিযোজন ক্ষমতা, নিরক্ষীয় বায়ু, মরাকাটাল এ পারিভাষিক শব্দগুলো যেমন বিশেষ বিশেষ জ্ঞান-জগতের সঙ্গে সম্পর্কিত তেমনি প্রতিটি শব্দের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে মানুষের অনুভূতি। ফলে রসায়ন (এটি একটি পারিভাষিক শব্দ) সম্পর্কিত আলোচনায় শীতনিদ্রা ও অভিযোজন ক্ষমতা, ভূগোল (এটি একটি পারিভাষিক শব্দ) সম্পর্কিত আলোচনার বেলাতেই নিরক্ষীয় বায়ু ও মরাকাটাল শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়। ফলে ওই পারিভাষিক শব্দগুলোর সঙ্গে পরিচিত মানুষের মনে জড়িয়ে থাকে বিশেষ ধরনের অনুভূতি, যার ফলে বিজ্ঞানের পরিভাষাগুলো বাণিজ্যের আলোচনায় কিংবা ভূগোলের পরিভাষাগুলো রসায়নের আলোচনায় অচল। যেহেতু পরিভাষাগুলোর সঙ্গে মানুষের উপলব্ধি ও চেতনা ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে থাকে তাই বিশেষ জ্ঞানের আলোচনায় ওই জ্ঞানের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিভাষা অবশ্যই প্রয়োজন। যার সাহায্যে সহজেই বক্তব্যের মূলকথা পাঠকের বা শ্রোতার মনে সঞ্চারিত করে দেয়া যায়। এজন্য রাজশেখর বসু বলেছেন, পরিভাষা মিশিয়ে ভাষাকে সংহত না করলে বিজ্ঞানী তার বক্তব্য প্রকাশ করতে পারেন না। মোট কথা পরিভাষা ছাড়া জ্ঞানবিজ্ঞানের আলোচনা প্রায় অসম্ভব। পরিভাষার ব্যবহারের মাধ্যমে লেখক-পাঠক বা বক্তা-শ্রোতার মধ্যে নির্বিঘ্ন যোগাযোগ গড়ে তোলা সম্ভব। তাছাড়া পরিভাষা ব্যবহারের ফলে তত্ত্বমূলক রচনার প্রকাশভঙ্গি শক্তিশালী ও সংহত হয়ে ওঠে।
পরিভাষা ব্যবহারের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত হয় যখন প্রচলিত শব্দটির কোনো বাংলা প্রতিশব্দ পাওয়া যায় না। আর পাওয়া গেলেও সেটি যদি অপ্রচলিত থাকে তবে পরিভাষার প্রয়োজন অত্যাবশ্যক হয়ে ওঠে। এ কথা সত্য যে, ভাষা চাপিয়ে দেবার বিষয় নয়। ভাষা প্রবহমান নদীর মতো। বিদেশি বা ইংরেজি শব্দ আমাদের ভাষায় এসেছে প্রচুর। যেটি গ্রহণ করবার তা গ্রহণ করেছে, আর যা বর্জন করবার তাও বর্জন করেছে। তাছাড়া পরিভাষা সুনির্দিষ্ট ও অর্থবহ বলেই তা প্রচলিত হয়েছে। অনেক সময় মূলভাষার শব্দ টেকসই থাকে না বলেও পরিভাষা ব্যবহার করা হয়। অস্বীকার করার উপায় নেই যে, বিকল্প ভাষা সহজবোধ্যতার জন্যেই ব্যবহৃত হয়। যেমন- পুলিশ, ফ্যান, এর প্রতিশব্দ অদ্যাবধি অনাবিষ্কৃত বলেই পরিভাষা ব্যবহার না করে উপায় নেই।
বাংলা পরিভাষা রচনার ইতিহাস
জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা করতে গিয়ে যখন প্রয়োজন দেখা দেয় তখনই সৃষ্টি হয় পরিভাষার। ওই যে একটি কথা বলা হয় যে, প্রয়োজনই আবিষ্কারের জননী: একথাটি যেন পরিভাষা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আরো বেশি সত্যি বলে মনে হয়। যে দেশ বা জাতি নতুন জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় যত বেশি নিবেদিত তাদের জন্য পরিভাষার প্রয়োজন তত বেশি এবং তারা তৈরি করেন বা করতে বাধ্য হন নতুন সব শব্দ। বিগত দুশো বছরে দেশি ও বিদেশি প্রশাসক, সাহিত্যিক ও বিশেষজ্ঞদের সমবেত চেষ্টায় গড়ে উঠেছে বাংলা পরিভাষা এবং এখনো সেই চেষ্টা শেষ হয়নি। এদেশে প্রথমে ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত হয় মাদ্রাজ, বোম্বাই ও বঙ্গপ্রদেশে। শাসনযন্ত্রকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে বৃটিশ বিচার ব্যবস্থা এদেশে চালু করার প্রয়োজন দেখা দেয়। ফলে বৃটিশ আইন বাংলায় অনুবাদ করা শুরু হয়। ইংরেজি ভাষায় রচিত বৃটিশ আইন বাংলায় অনুবাদ করতে গিয়েই অনুবাদকেরা অনুভব করেন পরিভাষার প্রয়োজনীয়তা। এজন্য বলা যায়, আইন অনুবাদের প্রয়োজনীয়তা থেকেই বাংলা পরিভাষা চর্চার সূত্রপাত ঘটে। ১৭৮৪ সালে জনাথান ডানকান ‘মপসল দেওয়ানী আদালত সকলের ও সদর দেওয়ানী আদালতে বিচার ও ইনসাফ চলন হইবার কারণ ধারা ও নিয়ম’ বাংলা ভাষায় ও বাংলা হরফে ছেপে প্রকাশ করেন। ডানকানের পর এডমন স্টোন, ফরস্টার, উইলিয়াম কেরী প্রমুখের অনুবাদের মাধ্যমে ব্রিটিশ ইংরেজি আইন বাংলায় রূপান্তর ঘটে। এই সকল বিদেশিদের প্রয়োজনের হাত ধরেই বাংলা ভাষায় আইনের আলোচনায় পরিচিত হয়ে ওঠে হাকিম, আদালত, ইজারা, জজ, তহশীল, তহশীলদার প্রভৃতি পারিভাষিক শব্দ। ইংরেজ অনুবাদকদের হাতে সৃষ্ট ওই সব পারিভাষিক শব্দ এখন বাংলা ভাষার প্রায় নিত্য পরিচিত শব্দে পরিণত হয়েছে।
আইনের অনুবাদের মাধ্যমে পরিভাষা তৈরির যে সূচনা ঘটে বিজ্ঞান বিষয়ক রচনায় তার পরবর্তী পদক্ষেপ লক্ষ করা যায়। বাংলায় বিজ্ঞান পুস্তক রচনা ও বৈজ্ঞানিক পরিভাষা তৈরির প্রাথমিক কৃতিত্বের দাবিদার ফেলিকস্ কেরী। তিনি বাংলাতে এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার খানিকটা বাংলা অনুবাদ করেছিলেন ‘বিদ্যাহারাবলি’ নাম দিয়ে। তাঁর অপর মূল্যবান গ্রন্থ ‘ব্যবচ্ছেদ বিদ্যা’ প্রকাশিত হয় ১৮২৩ সালে। ওই বইতে তিনি যে সকল পরিভাষা তৈরি করেছিলেন সেগুলো এখনো আমরা ব্যবহার করছি। কয়েকটি উদাহরণ :
Anatomy : ব্যবচ্ছেদ বিদ্যা
Muscle : মাংস পেশী
Nerve : নাড়ী
Solid : ঘন
Surgery : অস্ত্রচিকিৎসাবিদ্যা
Vein : শিরা।
ফেলিকস কেরীর পর বৈজ্ঞানিক পরিভাষায় অন্য যাদের অবদান রয়েছে তাঁরা হচ্ছেন জন ম্যাক, পীটার বৃটন, পীয়ারসন প্রমুখ। বাঙালিদের মধ্যে যিনি বিজ্ঞান বিষয়ক পরিভাষা তৈরিতে মনোযোগী হন তিনি অক্ষয় কুমার দত্ত। উনিশ শতকের প্রথম পঞ্চাশ বছরে তিনিই একমাত্র বিজ্ঞানমনস্ক সাহিত্যিক। তিনি বিজ্ঞান বিষয়ক যে চারটি গ্রন্থ প্রণয়ন করেন সেগুলো হচ্ছে :
১। ভূগোল (১৮৪১); ২। বাহ্যবস্তুর সহিত মানবপ্রকৃতির সম্বন্ধ বিচার (প্রথম ভাগ ১৮৫১, দ্বিতীয় ভাগ ১৮৫৪, তৃতীয়ভাগ ১৮৫৯); ৩। পদার্থবিদ্যা (১৮৫৬)। এসব বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ রচনা করতে গিয়ে তিনি তৈরি করেন বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক পারিভাষিক শব্দ। তাঁর সৃষ্ট বিজ্ঞান বিষয়ক কয়েকটি পারিভাষিক শব্দের নমুনা এখানে দেওয়া হলো-
Magnet : চুম্বক
Solid : কঠিন
Microscope : অনুবীক্ষণ যন্ত্র
Telescope :দ ূরবীক্ষণ যন্ত্র
Astrology : জ্যোতিষ
Compass : দিগ্দর্শন
Biology : প্রাণিবিদ্যা
Botany : উদি ভদবিদ্যা
Southpole : কুমেরু
North pole : সুমেরু
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থ বা প্রবন্ধ রচনা বৈজ্ঞানিক পরিভাষা নির্মাণের ক্ষেত্রে অক্ষয়কুমার দত্ত সর্বাগ্রগণ্য। তাঁর সৃষ্ট বৈজ্ঞানিক পরিভাষার অধিকাংশই পরবর্তীকালে গৃহীত ও ব্যবহৃত হয়েছে, আজো ব্যবহৃত হচ্ছে। অক্ষয়কুমার দত্তের পর বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, বিপিনবিহারী দাস, রাজেন্দ্রলাল মিত্র, রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী, যোগেশচন্দ্র রায়, বি.এন.শীল, রাজশেখর বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমুখ গুণীব্যক্তি বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় বিভিন্ন শব্দের বাংলা পরিভাষা সৃষ্টি করেছেন। এঁদের প্রত্যেকের মধ্য দিয়ে বাংলা পরিভাষা সমৃদ্ধ হয়েছে এবং সেই সঙ্গে সমৃদ্ধ হয়েছে বাংলা ভাষা।
শুধু ব্যক্তিগত ভাবেই নয় প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও বাংলা পরিভাষা প্রণয়নের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল বিংশ শতাব্দীর শুরু থেকেই। পরিভাষা প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক প্রচেষ্টা প্রথম শুরু করে ‘বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ’। রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদীর যোগ্য নেতৃতে ব একদল কৃতবিদ্য বাঙালি সম্মিলিতভাবে পরিভাষা তৈরির যে চেষ্টা করেছিলেন তা দীর্ঘ ৪২ বৎসর যাবত (১৮৯৪-১৯৩৫) পরিষদের মুখপত্র ‘সাহিত্য-পরিষৎ পত্রিকা’য় মুদ্রিত হয়েছিল। এই বিশাল কর্মযজ্ঞের শেষ দিকে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় বৈজ্ঞানিক পরিভাষা সমিতি গঠনে করে (১৯৩৪) বিজ্ঞান বিষয়ক বিভিন্ন পরিভাষা তৈরি করে খন্ড খন্ড তা প্রকাশ করে। ১৯৪৭ সালের দেশবিভাজনের পর পশ্চিম বঙ্গ সরকার গঠন করে পরিভাষা সংসদ (১৯৪৮)। সংসদ বিভিন্ন ধরনের পরিভাষা নির্মাণের আত্মনিয়োগ করে। অন্যদিকে পূর্ববাংলার ভাষা কমিটি (১৯৪৮), বাংলা একাডেমি (১৯৫৭), কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড (১৯৬৩), সরকারি শিক্ষা বিভাগ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা ভাষার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করে। এই সব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেই বাংলা পরিভাষা বহুলভাবে সমৃদ্ধ হয়েছে। স্বাধীনতা লাভের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা কমিটিও (১৯৭৪) বাংলা পরিভাষা তৈরিতে বড় রকমের ভূমিকা রেখেছেন। তবে মনে রাখা প্রয়োজন পরিভাষা তৈরি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রতিদিন জ্ঞান-বিজ্ঞানের রাজ্যে প্রবেশ ঘটছে নতুন নতুন শব্দের, আর আমরা পরিচিত হচ্ছি সে সব শব্দের সঙ্গে। ফলে প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে শব্দটির একটি বাংলা পরিভাষার। যখনই প্রয়োজন দেখা দিচ্ছে তখনই হয়তো আমরা তৈরি করছি বা করতে বাধ্য হচ্ছি নতুন একটি পরিভাষা তৈরিতে। সঙ্গে সঙ্গে যোগ হচ্ছে আমাদের ভাষায় একটি নতুন শব্দ এবং সবার অজামেত্মই ভাষা সমৃদ্ধ হয়ে উঠছে।
পরিভাষা তৈরির নিয়ম ও পদ্ধতি
যে কোনো পারিভাষিক শব্দেরই থাকতে হয় চারটি গুণ বা বৈশিষ্ট্য। সেগুলো হচ্ছে : সর্বজনস্বীকৃতি, স্বাভাবিকতা, বিশিষ্টার্থ প্রয়োগ, আড়ষ্টহীনতা। কিন্তু এই সব গুণসম্পন্ন শব্দ তৈরি করতে হলে, যিনি পরিভাষা তৈরি করবেন, তাঁকে অবশ্যই মেনে নিতে হয় ভাষাবিজ্ঞানের মূল সূত্রগুলো। তা ছাড়া ভাষাবিবর্তনের ঐতিহাসিক পটভূমি সম্পর্কেও পরিভাষা সৃষ্টিকারীর থাকতে হয় পরিষ্কার ধারণা। এই ধারণার সাহায্যেই তিনি নির্বাচন করবেন এমন শব্দ যা সহজেই সমাজে গৃহীত হবে। দুরূহ ও দুরুচ্চার্য শব্দে পরিভাষা তৈরি হলে তা জনসাধারণের কাছে গৃহীত হয় না। তাছাড়া, আমরা আগেই বলেছি যে শব্দটি পরিভাষা হিসাবে ব্যবহৃত হবে তার থাকবে সুনির্দিষ্ট ও সীমাবদ্ধ অর্থ এবং স্পষ্ট তাৎপর্য। প্রত্যেকটি শব্দই একটি নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হতে হবে তাকে দ্বিতীয় কোনো অর্থে প্রয়োগ করা যাবে না।পদ্ধতি
যে কোনো ভাষাতেই পরিভাষা তৈরি হয় সাধারণত তিনটি পদ্ধতি অনুসরণ করে। পদ্ধতি তিনটি হলো : ঋণ, ঋণ-অনুবাদ ও নির্মাণ। আসুন আমরা ঐ তিনটি পদ্ধতি সম্পর্কে একটু বিস্তারিত আলোচনা করি।
১। ঋণ
ভাষার ঋণ মানুষকে ধনী ও সমৃদ্ধ করে। যে ভাষায় যতো বেশি ঋণকৃত শব্দ আছে সে ভাষা ততো সমৃদ্ধ। বিশ্বের জ্ঞানবিজ্ঞানে অন্য সকলের মতো বাঙালিরও সমান অধিকার আছে। তাই যে ভাষা থেকে আমরা জ্ঞান আহরণ করব তার শব্দ, ভাব, প্রেরণা আত্মস্থ করার ক্ষেত্রে আমাদের কোনো দ্বিধা থাকা উচিত নয়। উগ্র স্বাদেশিকতা দ্বারা তাড়িত হয়ে হাইড্রো অক্সাইডকে ‘অমস্নজানমূলক উদ্বায়ী গ্যাস’, টেলিফোনকে ‘দূরালাপনী’, বুনসেন বার্নারকে ‘পিনাল-দাহক’, ইনকেজশনকে ‘সূচিকাভরণ’ না লেখাই সঙ্গত। আজকাল আমরা সবাই লোডশেডিং, চ্যারিটি বা ওয়ার্মআপ ম্যাচ, বাস, স্টেশন, অক্সিজেন এসব পারিভাষিক শব্দ অপরিবর্তিত ভাবেই গ্রহণ করেছি। অর্থাৎ এসব শব্দ আমরা ঋণ করে বাংলা ভাষায় নিয়ে এসেছি এবং ঋণ শোধ না করলেও কেউ কখনো তাগাদা দিতে আসবে না; বরং বাংলা ভাষাকে ধীরে ধীরে সমৃদ্ধ করবে।
২। ঋণ-অনুবাদ
পুরনো, ভুলে যাওয়া কোনো বাংলা শব্দকে তুলে এনে নতুন অর্থে ব্যবহার করেও পরিভাষা তৈরি করা যায়। শব্দের আগের অর্থটা জানা থাকলে বা বহাল থাকলেও ধীরে ধীরে নতুন অর্থটাই সবার কাছে পরিচিতি পেয়ে, নতুন অর্থ ধারণ করে ফেলে। ঋণ-অনুবাদ হতে পারে দু-ধরনের। সংস্কৃত বা দেশি এমন অনেক শব্দ পাওয়া যাবে যেগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয়; অর্থাৎ অর্থ একটিই কিন্তু শব্দ অনেক। এ ধরনের শব্দগুলোর ভেতর থেকে একটি বেছে নিয়ে আমরা নতুন অর্থে প্রয়োগ করে গড়ে তুলতে পারি একটি পরিভাষা। ‘বিজ্ঞান’, ইতিহাস, পদার্থ প্রভৃতি শব্দ এমন ধরনের ঋণ অনুবাদের উদাহরণ। বিজ্ঞান শব্দটি বোঝাতো বিশেষ জ্ঞান- তা সে যে কোনো জ্ঞানকেই বোঝাতো কিন্তু এখন পরিভাষা হিসেবে আমরা বিজ্ঞান শব্দটি ব্যবহার করছি।
৩। নির্মাণ
শব্দ নির্মাণের মতো পরিভাষা নির্মাণের বেলাতেও ভাষার মূল প্রবণতা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হয়। বাংলা ভাষার শব্দসম্ভার অর্থাৎ তৎসম, তদ্ভব, দেশি, বিদেশি থেকে উপাদান মিশিয়ে পারিভাষিক শব্দ তৈরি করা যায়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ হতে গৃহীত পরিভাষা, যেমন : ‘দ্রাঘিমা’, ‘বিষুবরেখা’, ‘লসাগু’, ‘গসাগু’ ইত্যাদি শব্দ পরিভাষা হিসেবে অত্যন্ত সুপ্রযুক্ত হয়েছে।
পরিভাষিক শব্দ-প্রয়োগ বিধি
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে, রাষ্ট্রভাষা বাংলা সর্বস্তরে চালু করার নির্দেশ দেয়া হলে সেই নির্দেশ অনুসারে বাংলা ভাষা সর্বস্তরে ব্যবহারের প্রয়াস অব্যাহত থাকে। কিন্তু বাংলা ভাষা ব্যবহারের কিছু সমস্যা দেখা যায়। কারণ দীর্ঘদিন ধরে অফিস-আদালত ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে ইংরেজি ভাষার বহুল প্রচলন থাকায় কতিপয় শব্দ ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয় যা আমাদের বাংলা ভাষা সর্বত্র প্রচলনের ক্ষেত্রে দীনতারই পরিচায়ক। বহুল প্রচলিত এই সকল ইংরেজি শব্দ যার বাংলা প্রতিশব্দ উদ্ভব হয়নি বা কিছু কিছু শব্দ বাংলায় রূপান্তর হলেও তার ব্যবহার করা হয় সেগুলোকেই পরিভাষা বলা হয়।
প্রয়োগ বিধি
পরিভাষা ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট কিছু নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। সেগুলো নিমণরূপ:
(১) মূল ভাষায় প্রতিশব্দ না থাকলে পরিভাষায় প্রয়োগ করা যায়। যেমন : পুলিশ চোরকে ধরতে এসেছে। পুলিশের প্রতিশব্দ নেই।
(২) মূলভাষায় টেকসই প্রতিশব্দ না থাকলে পরিভাষা প্রয়োগ করা হয়। যেমন :- ছেলেমেয়েরা টেলিভিশন দেখছে । টেলিভিশন শব্দের প্রতিশব্দ দূরদর্শন, তবে এ শব্দটি টেকসই নয়।
(৩) মূল ভাষায় প্রতিশব্দটি অপ্রচলিত হলে পরিভাষা প্রয়োগ করা হয়। যেমন : টেবিলে কলমটা রাখো। টেবিলের প্রতিশব্দ চৌপায়া এটি প্রচলিত নয়।
(৪) মুল ভাষার প্রতিশব্দটি সর্বসাধারণের বোধগম্য না হলে পরিভাষা ব্যবহার করা হয়। যেমন : গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ডিগ্রী সেলসিয়াস। ডিগ্রীর প্রতিশব্দ মান নির্ণয়ক বিশেষ বলে অভিহিত করা হয়। তাই ডিগ্রী লেখাই শ্রেয়।
(৫) পৌনঃপুনিক ব্যবহারের কারণে প্রতিশব্দ থাকলেও পরিভাষা প্রয়োগ করা যায়। যেমন : একাউনটেন্ট পদে লোক নিয়োগ করা হবে। একাউনটেন্ট এর প্রতিশব্দ হিসাব রক্ষক। কিন্তু একাউনটেন্ট এর ব্যবহার বহুল ও সর্বজনগ্রাহ্য।
(৬) সহজে গ্রহণযোগ্য পরিভাষা প্রয়োগ করা যায়। যেমন : টেলিফোন নষ্ট হয়ে গেছে। টেলিফোনের প্রতিশব্দ দূরালাপনি কিন্তু টেলিফোন শব্দটি সহজে গ্রহণযোগ্য।
(৭) অফিস আদালতে ব্যবহার্য শব্দ পরিভাষিক হওয়াই উত্তম। যেমন : বিল জমা দেয়া হোক। এখানে বিলের পরিবর্তে অন্য কোনো শব্দ প্রয়োগ তেমন অর্থবহ নয় না।
অনাকাঙিক্ষতভাবে মূলভাষার প্রতিশব্দ সৃষ্টি করে শব্দের সার্বজনীনতা নষ্ট না করাই বাঞ্ছনীয়। সে ক্ষেত্রে পরিভাষা প্রয়োগ করা শ্রেয়। যেমন- স্কুল খোলা নেই। স্কুলের পরিবর্তে বিদ্যালয় শব্দ প্রয়োগ করলে সার্বজনীনতা ক্ষুণ্ণ হয়।
বাংলা ব্যাকরণের আলোচনায় ব্যবহৃত কতিপয় পারিভাষিক শব্দ :
বাংলা ব্যাকরণের আলোচনার জন্য পণ্ডিতেরা কতিপয় পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার করেছেন। এ ধরনের প্রয়োজনীয় কিছু পারিভাষিক শব্দের পরিচয় নিম্নে প্রদান করা হলো :
প্রাতিপদিক : বিভক্তিহীন নাম শব্দকে প্রাতিপদিক বলে। যেমন- হাত, বই, কলম ইত্যাদি।
সাধিত শব্দ : মৌলিক শব্দ ব্যতীত অন্য সব শব্দকেই সাধিত শব্দ বলে। যথা- হাতা, গরমিল, দম্পতি ইত্যাদি।
সাধিত শব্দ দুই প্রকার : নাম শব্দ ও ক্রিয়া। প্রত্যেকটি নামশব্দের ও ক্রিয়ার দুটি অংশ থাকে।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কতিপয় পারিভাষিক শব্দ নিম্নে দেয়া হলো:
A
Abandoned property পরিত্যক্ত সম্পত্তি
Absconder ফেরারি
Absorption আত্মীকরণ
Abolish বিলোপ করা
Abrogate রদ করা
Absolutely পুরোপুরি
Abstract সার, সংক্ষক্ষপ্ত
Account হিসাব
Accounts Officer হিসাব রক্ষণ অফিসার
Accused আসামী
Acquired হুকুমদখলকৃত/অধিগৃহীত
Acknowledge স্বীকার করা
Acknowledgement due প্রাপ্তি স্বীকারপত্র
Acting ভারপ্রাপ্ত
Ad hoc appointment এ্যাড্হক নিয়োগ
Administration প্রশাসন
Administrator প্রশাসক
Adult Franchise প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকার
Advertisement বিজ্ঞাপন
Advice পরামর্শ/উপদেশ
Adviser উপদেষ্টা
Additional অতিরিক্ত
Ad interim অন্তর্বর্তীকালীন
Adjournment মূলতবী
Adjusted সমন্বিত
Admiral নৌ-সেনাপতি
Adult education বয়স্ক শিক্ষা
Advance অগ্রিম
Agenda আলোচ্যসূচি
Agreement চুক্তি
Aid সাহায্য
Alliance মৈত্রীজোট
Allocate বরাদ্দ করা
Allotment বরাদ্দ
Allowance ভাতা
Amended সংশোধিত
Amendment সংশোধন
Annexure সংযুক্তি
Annual Confidential
Report (ACR): বার্ষিক গোপনীয় রিপোর্ট
Antrhopology নৃতত্ত্ব
Anticorruption দুর্নীতি দমন
Appendix পরিশিষ্ট
Applicant আবেদনকারী
Argument যুক্তি
Arrear বকেয়া
Article অনুচ্ছেদ
Assessee করদাতা
Assessment নির্ধারণ
Assessor কর নির্ধারক
Assets পরিসম্পদ
Associate সহযোগী
Association সংঘ
Attendance হাজিরা
Attestation সত্যায়ন
Attested প্রত্যয়িত, সত্যায়িত
Audit নিরীক্ষা
Authority কর্তৃপক্ষ
Authorised কর্তৃত্বপ্রাপ্ত
Autorgraph স্বাক্ষর, স্বলেখন
Author লেখক
Autonomous স্বায়ত্তশাসিত
Autonomy স্বায়ত্তশাসন
Average গড়
B
Baggage মালপত্র
Bail জামিন
Ballot ভোট
Bank draft ব্যাংক ড্রাফট
Bankrupt দেউলিয়া
Basic Education বুনিয়াদি শিক্ষা
Basic pay মূল বেতন
Balance বাকি, উদ্বৃত্ত
Bank balance ব্যাংকস্থিতি
Bar Association আইনজীবী সমিতি
Bar Council আইনজীবী পরিষদ
Bargaining দরকষাকষি
Biased পক্ষপাত দুষ্ট
Bio data জীবন বৃত্তান্ত
Biology জীববিদ্যা
Birth control জন্ম নিয়ন্ত্রণ
Biography জীবনী
Blue print :প্রতিচিত্র, নীলনকশা
Black list :কালো তালিকা
Body search :দেহতল্লাসি
Bond: মুচলেকা
Book-post : খোলা-ডাক
Budget allotment : বাজেট বরাদ্দ
Bureaucracy :আমলাতন্ত্র
Bumping :উঠানামা
By-law :উপআইন
By product : উপজাত
By-election : উপ-নির্বাচন
C
Cabinet :মন্ত্রিপরিষদ
Calendar :বর্ষপঞ্জি
Cancel : বাতিল করা
Care of (C/O) : প্রযত্নে
Cash : নগদ
Cash-memo : ক্যাশ-মেমো
Casual leave : নৈমিত্তিক ছুটি
Calligraphy :হস্তলিপি বিদ্যা
Call money :তলবি টাকা
Capital :পুঁজি
Cartoon :ব্যঙ্গচিত্র
Certificate :প্রত্যয়ন/প্রমাণপত্র/সনদপত্র
Certified :প্রত্যয়িত
Chalan :চালান
Chancellor :আচার্য
Chief Justice :প্রধান বিচারপতি
Chief Guest :প্রধান অতিথি
Circular :পরিপত্র
Citizen :নাগরিক
Civil Court :দেওয়ানি আদালত
Clam :দাবি
Client : মক্কেল
Co-education: সহশিক্ষা
Consolidate : একত্রীকৃত
Cold storage :হিমাগার
Cold war :সণায়ু যুদ্ধ
Collaborator :সহযোগী
Compensation :ক্ষতিপূরণ
Conduct :আচরণ
Conductor :পরিচালক
Conference :সম্মেলন
Confidential :গোপনীয়
Consent :সম্মতি
Contempt of court :আদালত অবমাননা
Cordon :বেষ্টনি
Credit :জমা
Criticism :সমালোচনা
Curriculum :পাঠক্রম
Customer :খদ্দের
Cyclone :ঘূর্ণিঝড়
Compulsory :বাধ্যতামূলক
Complimentary Copy :সৌজন্য সংখ্যা
Compromise :আপস
D
Daily Balance :দৈনিক জের
Debit Balance :খরচের জের
Defence :প্রতিরক্ষা
Defendant :বিবাদী
Deputation :প্রেষণ
Discrepancy :গরমিল
Discrimination :বৈষম্যমূলক
Dispensary :ঔষধালয়
Dock worker :ডক শ্রমিক
Duty :শুল্ক
Daily allowance :দৈনিক ভাতা
Data :উপাত্ত
Death rate :মৃত্যুহার
Debate :বিতর্ক
Debit :খরচ
Defamation :মানহানি
Defaulter :খেলাপি
Deficit :ঘাটতি
Deligation :প্রতিনিধিবর্গ
Demotion :পদাবনতি
Deposit আমানত
Despatch প্রেরণ করা
Design নকশা
Diplomacy কূটনীতি
Discharge বরখাস্ত, খালাস
Dismiss পদচ্যুত করা
Disolve ভেঙে দেয়া
Dual দ্বৈত
Due বাকি, বকেয়া, দেয়
Due date নির্দিষ্ট তারিখ
Duplicate দ্বিতীয়ক, প্রতিরূপ
Duplicate copy অনুলিপি
E
Earnest money জামানত
Earned leave অর্জিত ছুটি
Eid advance ঈদ অগ্রিম
Edition সংস্করণ
Editor সম্পাদক
Editorial সম্পাদকীয়
Educationst শিক্ষাবিদ
e.g. যেমন
Efficiency সামর্থ্য, কর্মদক্ষতা
Employee কমর্চারী
Employer নিয়োগকর্তা
Enclosure সংলগ্নী
Enchyclopaedia বিশ্বকোষ
Employment কর্মসংস্থান/চাকুরি
Enclosure সংলগ্নী
Enquiry তদন্ত
Enquiry Commission তদন্ত কমিশন
Enrol তালিকাভুক্ত করা
Enterpriser উদ্যোক্তা
Entertainment চিত্তবিনোদন
Environment পরিবেশ
Envoy দূত
Equation সমীকরণ
Equipment উপকরণ, সরঞ্জাম
Escort প্রহরী/রক্ষী
Estimate মূল্যানুমান, প্রাক্কলন
Ethics নীতিমালা
Evaluation মূল্যায়ন
Examine পরীক্ষা
Excise আবগারি
Excise duty আবগারি শুল্ক
Export promotion রপ্তানী উন্নয়ন
Exhibition প্রদর্শনী
Exit নির্গম
Ex-officio পদাধিকারী
Extension বৃদ্ধি
Expenditure ব্যয়
Experiment নিরীক্ষা, পরীক্ষণ
Expert বিশেষজ্ঞ
Expiry অবসান, মৃত্যু
Eye wash ধোঁকা
F
Factories কলকারখানা
Faculty অনুষদ
Fair মেলা, ন্যায্য
Fare যাত্রী ভাড়া
Fiction কথা সাহিত্য
Filing নথিভুক্ত
First aid প্রাথমিক চিকিৎসা
Fixation স্থায়ী/স্থিরকরণ
Flaxible নমনীয়
Formation গঠন
Foreman সর্দার, কর্মনায়ক
Forwarded প্রেরিত
Founder প্রতিষ্ঠাতা
Free market খোলা বাজার/মুক্তবাজার
Free trade অবাধ বাণিজ্য
Fundamental মৌলিক
Fundmentalist মৌলবাদী
Field worker মাঠকর্মী
Final report চূড়ান্ত প্রতিবেদন
Financial year অর্থ বছর
Fire Service দমকল বাহিনী
Firm :খামার/বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান
Foreign aid :বৈদেশিক সাহায্য
Freight :মাশুল
G
Gain :লাভ
Global :বৈশ্বিক
Godown :গুদাম
Goods :পণ্য, মাল
Goodwill :সুনাম
Governing body :পরিচালনা পর্ষদ
Grade :পর্যায়
Gratuity :আনুতোষিক
Gravitation :মহাকর্ষ
Guardian :অভিভাবক
Gymnasium :ব্যায়মাগার
Gist :সারমর্ম
Good conduct : শিষ্টাচার
Govt. Security : সরকারি ঋণপত্র
Grant : অনুদান/মঞ্জুরি
Growth :প্রবৃদ্ধি
H
Hand bill :প্রচারপত্র, ইশতেহার
Handicraft :হস্তশিল্প
Handloom :তাঁত
Hangar :বিমানশালা
Harbour :পোতাশ্রয়
Hard money :নগদ টাকা
Hawker :ফেরিওয়ালা
Headline :শিরোনাম
Hearing :শুনানী
Haggling :দর কষাকষি
Hijacker :ছিনতাইকারী
Home Minister :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Hostage :জিম্মি
Housing :আবাসন
Humidity :আর্দ্রতা
Humanity :মানবতা
House Search :গৃহ তল্লাশি
House building advance গৃহ নির্মাণ ঋণ
Housing and Settlement গৃহ সংস্থা
I
Ideology :মতাদর্শ
Idiom :বাগধারা
Identification :শনাক্তকরণ
Identified :শনাক্তকৃত
Identity :পরিচয়
Illustration :উদাহরণ, চিত্রণ
Illiterate :নিরক্ষর
Incidental :আনুষঙ্গিক খরচ
Incumbent :পদধারী
Indemnity :ক্ষতিপূরণ
Index :নির্দেশক, নির্ঘণ্ট
Industry :শিল্প
Inefficient :অযোগ্য
Initial :প্রারম্ভিক, অনুস্বাক্ষর
Inquiry :অনুসন্ধান
Insolvent :দেউলিয়া
Inspection :পরিদর্শন
Inspector :পরিদর্শক
Invigilator :পর্যবেক্ষক
Instrument :যন্ত্র
Intellectual :বুদ্ধিজীবী
Instalment :কিসিত্ম
Institute :সংস্থা, প্রতিষ্ঠান
Instruction :নির্দেশ
Interim :অন্তর্বর্তীকালীন
Internal :আভ্যন্তরীণ
Interpreter :দোভাষী
Interval :বিরাম, বিরতি
Irregular :অনিয়মিত
Interest :সুদ
Immigration :বহির্গমন
Implementation : বাস্তবায়ন
In-charge : ভারপ্রাপ্ত
Incidental : আনুষঙ্গিক
Income tax :আয়কর
Inspector পরিদর্শক
Inspector-General মহা-পরিদর্শক
Investment বিনিয়োগ
J
Jobber দালাল
Joint Account যুক্ত হিসাব
Joint Editor যুগ্ম সম্পাদক
Joint Secretary যুগ্ম সচিব
Journal পত্রিকা
Judge বিচারক
Judgement রায়
Judiciary বিচার বিভাগ
Joint collaboration যৌথ সহযোগিতা
Joint venture যৌথ উদ্যোগ
Junior কনিষ্ঠ
Jute goods পাটজাত দ্রব্য
Jute mill চটকল
K
Keeper রক্ষক
Keying সূত্রানুসন্ধান
Key note মূলভাব
Kidnapper অপহরণকারী
Know-how কৌশল
L
Labour court শ্রম আদালত
Land Record ভূমি রেকর্ড/পরচা
Land revenue জমির খাজনা/খাজনা
Land tax জমির খাজনা/খাজনা
Landing অবতরণ
Landlord জমিদার
Lease ইজারা
Leave ছুটি
Lecturer প্রভাষক
Ledger খতিয়ান
Leftist বামপন্থি
Lender মহাজন
Library গ্রন্থাগার
Liguistics ভাষাবিজ্ঞান
Literate স্বাক্ষর
Lobbying তদবির
Liabilities দায়-দায়িত্ব
Livestock পশুপালন
Look after দেখাশুনা করা
M
Magistrate হাকিম
Management ব্যবস্থাপনা
Manpower employment জনশক্তি কর্মসংস্থান
Marginal প্রামিত্মক
Manketing বিপণন
Mass Communication গণ যোগাযোগ
Magnet চুম্বক
Mail ডাক
Maintenance রক্ষণাবেক্ষণ
Majority সংখ্যাগুরম্ন
Makeup রূপসজ্জা
Manuscript পা-ুলিপি
Martial Court সামরিক আদালত
Mass educaton গণশিক্ষা
Mass-media গণমাধ্যম
Materialism বস্ত্তবাদ
Maternity মাতৃসদন
Manifesto ইশতেহার
Memo স্মারক
Memorandum স্মারকলিপি
Message বার্তা
Misconduct দুর্ব্যবহার
Microseope অণুবীক্ষণ যন্ত্র
Middle class মধ্যশ্রেণি/মধ্যবিত্ত শ্রেণি
Midwife ধাত্রী
Mint টাকশাল
Miscellaneous বিবিধ
Monsoon মৌসুমী বায়ু, বর্ষা
Mortgage বন্ধক
Mortality মৃত্যুহার
Mutual পারস্পরিক
Mythology পুরাণ, পুরাতত্ত্ব
Mercantile Marine নৌ-বাণিজ্য
Metropolitan
Magistrate
মহানগর হাকিম
Metropolitan Police মহানগর পুলিশ
Minimum Wage নিমণতম মজুরি
N
Nominal নামমাত্র
Note মন্তব্য
Nutrition পুষ্টি
Nationality Certificate জাতীয়তা সনদপত্র
News commentary সংবাদভাষ্য
Notice নোটিশ
Notification প্রজ্ঞাপন
Nuclear পারমাণবিক
O
Oath শপথ
Obedient অনুগত
Observation পর্যবেক্ষণ
On approval অনুমোদন সাপেক্ষক্ষ
On demand চাহিবামাত্র
On deputation প্রেষণে
Optics আলোক বিজ্ঞান
Optional ঐচ্ছিক
Orpanage এতিমখানা, অনাথাশ্রম
Office দপ্তর
Official দাপ্তরিক
On duty কর্তব্যরত
Ordinance অধ্যাদেশ
Organization সংগঠন
P
Para অনুচ্ছেদ
Parade কুচকাওয়াজ
Parallel সমান্তরাল
Panel নামসূচি
Particulars বিবরণ
Pathology রোগবিদ্যা
Pen-name ছদ্মনাম (লেখকের)
Pessimism দুঃখবাদ
Philology :ভাষাবিদ্যা
Phonetics :ধ্বনিবিজ্ঞান
Pleader :উকিল
Poetics :সাহিত্যতত্ত্ব, কাব্যতত্ত্ব
Poster :প্রাচীরপত্র
Post Graduate :স্নাতকোত্তর
Post mortem :ময়নাতদন্ত
Preface : ভূমিকা
Press-note : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
Project : প্রকল্প
Proposal :প্রস্তাব
Provision :বিধান
Provost :প্রাধ্যক্ষ
Psychology :মনোবিজ্ঞান
Publication :প্রকাশ, প্রকাশনা
Publicity :প্রচার
Public sector :সরকারি খাত
Put up :পেশ করা
Passport :পাসপোর্ট/ছাড়পত্র
Pay Fixation :বেতন নির্ধারণ
Pay increase :বেতন বৃদ্ধি
Permanent :স্থায়ী
Postage :ডাকমাশুল
Prescription :ব্যবস্থাপত্র
Printing :মুদ্রণ
Probation :শিক্ষানবিসী
Promotion :পদোন্নতি
Provisional :সাময়িক
Public Health :জনস্বাস্থ্য
Public holiday :সাধারণ ছুটি
Q
Quack :হাতুড়ে
Quarters :আবাস
Query :জিজ্ঞাসা, প্রশ্ন
Queue :সারি
Questionnaire :প্রশ্নমালা
Quarterly :ত্রৈমাসিক
Quotation :মূল্যজ্ঞাপন, দরপত্র
Quote :উদ্ধৃত করা
Quoted :উদ্ধৃত
R
Race :জাতি, দৌড়
Radiation :বিকিরণ
Radical :মৌলিক
Radius :ব্যাসার্ধ
Rank :পদমর্যাদা
Rationalism :যুক্তিবাদ
Rating :নির্ধারণ
Realist :বাস্তববাদী
Rebate :বাটা
Recreation :বিনোদন
Renewal :নবায়ন
Republic :প্রজাতন্ত্র
Reprint :পুনর্মুদ্রণ
Requisition :অধিযাচন, তলব
Research :গবেষণা
Reserved :সংরক্ষক্ষত
Retirement : অবসর
Re-union : পুনর্মিলন
Review : পুনর্মূল্যায়ন
Revised :সংশোধিত
Rural :গ্রামীণ
Recruitment :নবনিয়োগ
Regulation :প্রবিধান
Remark :মন্তব্য
Residence :বাসা
Residential : আবাসিক
Revenue : রাজস্ব
Rural Development : পল্লি উন্নয়ন
Rural Electrification : পল্লি বিদ্যুতায়ন
S
Sale tax : বিক্রয় কর
Safeguard : রক্ষাকবচ
Sample : নমুনা
Sanitation : স্বাস্থ্য ব্যবস্থা
Satellite : উপগ্রহ
Schedule তফসিল, তালিকা, সময়সূচি
Screening বাছাই
Script লিপি
Sector খাত
Secular ধর্ম নিরপেক্ষ
Secularism ধর্ম নিরপেক্ষতা
Security জামিন, নিরাপত্তা
Seniority জ্যেষ্ঠতা
Settlement নিষ্পত্তি
Session অধিবেশন
Signature স্বাক্ষর
Socialism সমাজতন্ত্র
Solar eclipse সূর্যগ্রহণ
Sovereign সার্বভৌম
Specialist বিশেষজ্ঞ
Specimen নমুনা
Spokesman মুখপাত্র
Statement বিবৃতি, বিবরণ
Statutory সংবিধিবদ্ধ
Stenotypist সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক
Strike ধর্মঘট
Study শিক্ষা
Study Leave শিক্ষা ছুটি
Subjudice বিচারাধীন
Submission পেশ, দাখিল
Sub-rule উপবিধি
Sub-section উপ-ধারা
Subsidiary সম্পূরক
Surgeon শল্য চিকিৎসক
Surrender আত্মসমর্পণ
Syllabus পাঠ্যসূচি, সিলেবাস
Synonymous সমার্থক
System পদ্ধতি
Search warrant তল্লাসী পরোয়ানা
Selection Committee বাছাই কমিটি
Social Service সমাজ সেবা
Standing Committee স্থায়ী কমিটি
Steering Committee পরিচালনা কমিটি
Summary সার সংক্ষক্ষপ
Supplement ক্রোড়পত্র
Survey জরিপ
T
T.A. ভ্রমণ ভাতা
Take over কার্যভার গ্রহণ
Taxable করযোগ্য
Tarriff মাশুল, শুল্ক
Tenancy প্রজাস্বত্ব
Tenure ধারণকাল, মধ্যস্বত্ব
Termination অবসান
Terminology পরিভাষা
Terrorist সন্ত্রাসী
Testimonial প্রশংসাপত্র
Thesis গবেষণাপত্র
Tidal bore জলোচ্ছ্বাস
Tariff শুল্ক
Technology প্রযুক্তি
Telegraph তার
Town Development শহর উন্নয়ন
Traffic jam যানজট
Transport যানবাহন/পরিবহণ
U
Ultimatum চরমপত্র
Undersigned নিম্বস্বাক্ষরকারী
Un-employed বেকার
Unpaid অপরিশোধিত
Unskilled অদক্ষ
Up-to-date হালনাগাদ
Urban পৌর
Undertaking অঙ্গীকার
Uniform উর্দি
Urban Development নগর উন্নয়ন
V
Vacancy খালি
Vacation অবকাশ
Caccination টিকা, টিকাদান
Vegetarian নিরীমিষাশী
Valid বৈধ
Valuation মূল্য নির্ধারণ
Venue স্থান
Verbal মৌখিক
Verification প্রতিপাদন
Vice-versa তদ্বিপরীত
Violation লংঘন
Visitor সাক্ষাৎপ্রার্থী
Voluntary স্বেচ্ছাসেবক
Voucher রসিদ
W
Wages মজুরি
Waiter খাদ্য পরিবেশক
War criminal যুদ্ধাপরাধী
Warrent পরোয়ানা
Wastage অপচয়
Weekly সাপ্তাহিক
White paper শ্বেতপত্র
Wireless বেতার
Wit রসিকতা
Writ রিট
Water Transport নৌ পরিবহণ
Wealth সম্পদ
Weather আবহাওয়া
XXray রঞ্জনরশ্মি
Y
Yard অঙ্গন
Year বর্ষ
Year Book বর্ষপঞ্জি
Yearly বার্ষিক
Yours faithfully আপনার বিশ্বস্ত
Z
Zodiac রাশিচক্র
Zonal আঞ্চলিক
Zonal Office আঞ্চলিক কার্যালয়
Zone অঞ্চল
Zoo চিড়িয়াখানা
Zoology প্রাণিবিদ্য
বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থার বাংলা পরিভাষা
President`s Secretariat : রাষ্ট্রপতির সচিবালয়
Bureau of Anti-corruption : দুর্নীতি দমন ব্যুরো
Elcetion Commission : নির্বাচন কমিশন
Parliament Secretariat : জাতীয় সংসদ সচিবালয়
Prime Minister`s Secretariat : প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়
Ministry of Defence: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
Bangladesh Meteorological Department : বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর
Inter-Service Public Relations Directorate: আমত্মঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর।
Ministry of Communications : যোগাযোগ মন্ত্রণালয়
Bangladesh Road Transport Corporation: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন
Ministry of Post and Tele-Communication : ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়
Ministry of Ports, Shipping and Inland Water Transport : বন্দর, সামুদ্রিক ও অভ্যমত্মরীণ নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়
Ministry of Education : শিক্ষা মন্ত্রণালয়
National Curriculum and Text Book Board: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড
Ministry of Agriculture : কৃষি মন্ত্রণালয়
Ministry of Fisheries and Livestock : মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়
Ministry of Irrigation, Water Development and Flood Control : সেচ, পানি উন্নয়ন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রণালয়
Ministry of Finance : অর্থ মন্ত্রণালয়
Ministry of Planning : পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
Ministry of Energy and Mineral Resources: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
Bangladesh Power Development Board: বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
Rulal Electrification Board: পল্লি বিদ্যুতায়ন বোর্ড
Ministry of Extablishment : সংস্থাপন মন্ত্রণালয়
Ministry of Foreign Affairs : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
Ministry of Food : খাদ্য মন্ত্রণালয়
Ministry of Relief and Rehabilitation : ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়
Ministry of Health and Family Planning : স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
Ministry of Home Affairs : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
Ministry of Commerce : বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
Ministry of Industries : শিল্প মন্ত্রণালয়
Ministry of Jute : পাট মন্ত্রণালয়
Ministry of Textiles : বস্ত্র মন্ত্রণালয়
Ministry of Information : তথ্য মন্ত্রণালয়
Ministry of Labour and Manpower : শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়
Ministry of Law and Justice : আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়
Ministry of Works : পূর্ত মন্ত্রণালয়
Ministry of Local Government Rural Development and Co-operatives : স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
Ministry of Social Welfare and Women`s Affairs : সমাজকল্যাণ ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রণালয়
Ministry of Youth and Sports : যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
Ministry of Land : ভূমি মন্ত্রণালয়
Ministry of Religious Affairs : ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়

0মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Comment below if you have any questions