Home » » ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ স্থান

ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ স্থান

ব্যঞ্জনধ্বনির উচ্চারণ স্থান

উচ্চারণের স্থানভেদে ব্যঞ্জনধ্বনির প্রকারভেদ:

ধ্বনি উৎপাদনের ক্ষেত্রে মুখবিবরে উচ্চারণের মূল উপকরণ বা উচ্চারক জিহবা ও ওষ্ঠ। আর উচ্চারণের স্থান হলো কণ্ঠ বা জিহ্বামূল, অগ্ৰতালু, মূর্ধা বা পশ্চাৎ দন্তমূল, দন্ত বা অগ্র দন্তমূল, ওষ্ঠ্য ইত্যাদি। 

উচ্চারণের স্থানের নাম অনুসারে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলোকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয় : 

১. কণ্ঠ্য বা জিহ্বামূলীয় 

২. তালব্য বা অগ্ৰতালুজাত, 

৩. মূর্ধন্য বা পশ্চাৎ দন্তমূলীয়, 

৪. দন্ত্য বা অগ্র দন্তমূলীয় এবং 

৫. ওষ্ঠ্য।


ব্যাঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের জন্য যে প্রত্যঙ্গ গুলো ব্যবহৃত হয় ? 

১ - ঠোট (ওষ্ঠ ও অধর) 

২ - দাঁতের পাটি

৩- দন্তমূল, অর্থ দন্তমূল 

৪ - অগ্ৰতালু, শক্ত তালু 

৫ - পশ্চাত্তালু, নরম তালু, মূর্ধা 

৬ - আলজিভ 

৭ - জিহবাগ্র 

৮ - সম্মুখ জিহবা 

৯ - পশ্চাদজিহবা, জিহবামূল

১০ - নাসা-গহ্বর।

১১  - সুর-পল্লব, স্বরতন্ত্রী 

১২ - ফুসফুস


দ্রষ্টব্য : খণ্ড-ত (ৎ)-কে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ধরা হয় না। এটি ‘ত’ বর্ণের হস্-চিহ্ন যুক্ত (ত)-এর রূপভেদ মাত্র। 


পরাশ্রয়ী বর্ণ কাকে বলে?

ং ঃ ঁ - এ তিনটি বর্ণ স্বাধীনভাবে স্বতন্ত্র বর্ণ হিসেবে ভাষায় ব্যবহৃত হয় না। এ বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি অন্য ধ্বনির সঙ্গে মিলিত হয়ে একত্রে উচ্চারিত হয়। তাই এ বর্ণগুলোকে বলা হয় পরাশ্রয়ী বর্ণ। 


অনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ কাকে বলে?

ঙ ঞ ণ ন ম-এ পাঁচটি বর্ণ এবং ং ও ঁ যে বর্ণের সঙ্গে লিখিত হয় সে বর্ণে দ্যোতিত ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস নিঃসৃত বায়ু মুখবিবর ছাড়াও নাসার দিয়ে বের হয়; অর্থাৎ এগুলোর উচ্চারণে নাসিকার সাহায্য প্রয়োজন হয়। তাই এগুলোকে বলে অনুনাসিক বা নাসিক্য ধ্বনি। আর এগুলোর বর্ণকে বলা হয় অনুনাসিক বা নাসিক্য বর্ণ।

0মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Comment below if you have any questions

Contact form

নাম

ইমেল*

বার্তা*

-->