Home » » বাংলাদেশে ই কমার্স ব্যবসা

বাংলাদেশে ই কমার্স ব্যবসা

বাংলাদেশে ই কমার্স ব্যবসা

বিশ্ব যেখানে ই-কমার্সের মাধ্যমে আকাশ ছোঁয়া স্বপ্নকে সত্যে বাস্তবায়িত করছে তখনও বাংলাদেশ প্রচলিত পদ্ধতিতে শম্বুক গতির ন্যায় ব্যবসায় বাণিজ্য পরিচালিত করে যাচ্ছে। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে প্রতিযোগীদের কাছাকাছি আসতে হবে। বাংলদেশ এদিক দিয়ে অনেক পিছিয়ে আছে। এর কারণ বহুবিধ। সরকারি সহযোগিতা থেকে শুরু করে দক্ষ লোকের অভাব কোনটাকেই বাদ দেওয়া যেতে পারে না। ই-কমার্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নয়ন সাধনের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে যুগান্তকারী সাফল্য পেতে পারে। কিন্তু সার্বিকভাবে কার্যকর সরকারি কোন পদক্ষেপ এ ক্ষেত্রে নেয়া হয়নি বললেই চলে।

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের যেসব পণ্যের চাহিদা ছিল এবং এখনো আছে তা প্রতিযোগিতার কারণে দিনকে দিন কম যাচ্ছে। ইকমার্সের মাধ্যমে এসব পণ্যকে বিশ্ব দরবারে হাজির করা সম্ভব। পণ্যের কার্যকারিতা, বৈশিষ্ট্য ও মূল্য সম্পর্কে ক্রেতাদেরকে আকৃষ্ট করে আমাদের দেশের পণ্যকে বিদেশের বাজারে সুপরিচিত করা সম্ভব। এ জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ খুব দ্রুত নিতে হবে- হয় সরকারিভাবে, না হয় বেসরকারি উদ্যোগে। নতুবা খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ তার পণ্যের বিশ্ববাজার হারাবে। বাংলাদেশের কিছু মৌলিক পণ্য রয়েছে যা দামে খুবই সস্তা। পণ্যের মান ঠিক রেখে যদি কম দামে পণ্য বাজারে প্রবেশ করানো যায় তাহলে বাংলাদেশের জন্য খুব ভালো একটি বিশ্ব বাজার অপেক্ষা করছে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন, বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প বিশ্ব বাজারে নন্দিত। কিন্তু কিছুকাল ধরে অন্যান্য দেশের দাপটের কাছে দিনে দিনে আমরা হার মানছি। কিন্তু এ শিল্পে আমাদেরও দাপট থাকার কথা। ই-কমার্সের মাধ্যমে গার্মেন্টস শিল্পকে আবারো জাগিয়ে তোলা সম্ভব। পুরোপুরিভাবে ই-কমার্স 

এতক্ষণ শুধু বৈদেশিক বাণিজ্যকে রক্ষার্থে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ব্যবসায় বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ই-কমার্স চালু করে ব্যবসায়ীরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি গ্রাহক বা ক্রেতা সেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ই-কমার্স অভ্যন্তরীণভাবে সবচেয়ে বেশি সফল হতে পারবে। ইতিমধ্যে বই বিক্রি, ইলেক্ট্রনিক বিয়ে (ই-বিয়ে) ইত্যাদি ক্ষেত্রে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে ই-কমার্স বাণিজ্য রু হয়েছে। আশা করা যাচেছ এর সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে। ই-কমার্স পদ্ধতিতে বাংলাদেশের ব্যবসায় সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে ব্যাংকিং দুর্বলতা, ক্রেডিট কার্ডের স্বল্প ব্যবহার, টেলিকম সেক্টরের দুর্বলতা ইত্যাদি।

0মন্তব্য(গুলি):

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

Comment below if you have any questions

Contact form

নাম

ইমেল*

বার্তা*

-->