সমাজ কাকে বলে
কোন সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য একদল লোক সংঘবদ্ধ ও সংহত হয়ে সমাজ গঠন করে। মানুষ সামাজিক জীব। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সে সমাজে লালিত-পালিত হয়ে বিভিন্ন উপায়ে সামাজিক জীবনকে পূর্ণরূপে বিকশিত করে। গিডিংসের (Giddings) মতে, “সমাজ বলতে আমরা সংঘবদ্ধভাবে সে জনসাধারণকে বুঝি, যারা সাধারণ কোন উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মিলিত হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আদি গুরু এরিস্টটল বলেন, “মানুষ স্বভাবতই সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব এবং যে লোক সমাজের সভ্য নয়, সে হয় দেবতা না হয় পশু" (Man is by nature a social and political animal and a man who is not a member of society is either a god or a beast")। অধ্যাপক ম্যাক আইভার (Mac Iver) বলেন, “সমাজ হলো সামাজিক সম্পর্কের সামগ্রিক ব্যবস্থা” (“Society is the whole system of social relationships")। সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে যে মিলন, তাই সমাজের বৈশিষ্ট্য।
ঢাকার পল্টন ময়দানে পাঁচ লক্ষ লোকের মিলনকে আমরা সমাজ বলব না, কিন্তু যদি পাঁচজন লোক মিলিত হয়ে খেলাধুলার আসর জমায় এবং সপ্তাহে সপ্তাহে উপস্থিত হয় তা হলে আমরা তাকে খেলাধুলার সমাজও বলতে পারি। তা বড় হতে পারে, ছােটও হতে পারে। পৃথিবীব্যাপী সমাজ গঠনও সম্ববপর, যেমন- রেডক্রস সমাজ। সমাজের সাথে ভূ-খণ্ডের কোন সম্পর্ক নেই। মানুষ নিয়েই সমাজের কাজ কারবার। অধ্যাপক লিকক (Leacock) বলেছেন, “সমাজ শব্দটিতে ভূমি দখলের কোন সম্বন্ধ নেই। তা শুধুমাত্র মানুষকে কেন্দ্র করে গঠিত। তার পরিবেশ সম্পর্কে কোন কথা বলে না" ("The term society has no reference to a territorial occupation; it refers to man alone and not to his environment")। রাজনৈতিক সংহতি এর নেই তবে শাসন ব্যাপারে তা একেবারে অজ্ঞও নয়। কিছু লোকের উপর সমাজের সংঘবদ্ধতার তার থাকতে পারে।
কোন সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের জন্য একদল লোক সংঘবদ্ধ ও সংহত হয়ে সমাজ গঠন করে। মানুষ সামাজিক জীব। জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সে সমাজে লালিত-পালিত হয়ে বিভিন্ন উপায়ে সামাজিক জীবনকে পূর্ণরূপে বিকশিত করে। গিডিংসের (Giddings) মতে, “সমাজ বলতে আমরা সংঘবদ্ধভাবে সে জনসাধারণকে বুঝি, যারা সাধারণ কোন উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মিলিত হয়েছে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আদি গুরু এরিস্টটল বলেন, “মানুষ স্বভাবতই সামাজিক ও রাজনৈতিক জীব এবং যে লোক সমাজের সভ্য নয়, সে হয় দেবতা না হয় পশু" (Man is by nature a social and political animal and a man who is not a member of society is either a god or a beast")। অধ্যাপক ম্যাক আইভার (Mac Iver) বলেন, “সমাজ হলো সামাজিক সম্পর্কের সামগ্রিক ব্যবস্থা” (“Society is the whole system of social relationships")। সাধারণ উদ্দেশ্য সাধনের নিমিত্তে যে মিলন, তাই সমাজের বৈশিষ্ট্য।
ঢাকার পল্টন ময়দানে পাঁচ লক্ষ লোকের মিলনকে আমরা সমাজ বলব না, কিন্তু যদি পাঁচজন লোক মিলিত হয়ে খেলাধুলার আসর জমায় এবং সপ্তাহে সপ্তাহে উপস্থিত হয় তা হলে আমরা তাকে খেলাধুলার সমাজও বলতে পারি। তা বড় হতে পারে, ছােটও হতে পারে। পৃথিবীব্যাপী সমাজ গঠনও সম্ববপর, যেমন- রেডক্রস সমাজ। সমাজের সাথে ভূ-খণ্ডের কোন সম্পর্ক নেই। মানুষ নিয়েই সমাজের কাজ কারবার। অধ্যাপক লিকক (Leacock) বলেছেন, “সমাজ শব্দটিতে ভূমি দখলের কোন সম্বন্ধ নেই। তা শুধুমাত্র মানুষকে কেন্দ্র করে গঠিত। তার পরিবেশ সম্পর্কে কোন কথা বলে না" ("The term society has no reference to a territorial occupation; it refers to man alone and not to his environment")। রাজনৈতিক সংহতি এর নেই তবে শাসন ব্যাপারে তা একেবারে অজ্ঞও নয়। কিছু লোকের উপর সমাজের সংঘবদ্ধতার তার থাকতে পারে।
সংক্ষেপে, সমাজের বৈশিষ্ট্য নিম্নলিখিত উপাদানগুলো: (এক) এক সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি; (দুই) সাধারণ উদ্দেশ্য; (তিন) উদ্দেশ্য সাধনের জন্য জনসমষ্টির পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া, এবং (চার) সামাজিক বৈশিষ্ট্যের বন্ধন।

0মন্তব্য(গুলি):
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Comment below if you have any questions